সুভা গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন

 

সৃজনশীল প্রশ্ন ১: বাবা-মা হারা রেজা তার চাচা আমজাদ সাহেবের কাছে থাকে। রেজার একটি হাত ও একটি পা নেই। তবু সে থেমে থাকে না। ক্লাসে ভালাে ফলাফল করায় শিক্ষকগণ তাকে স্নেহ করেন। সহপাঠীরা তাকে সহযোগিতা করে। তবে কেউ কেউ তাকে নিয়ে তামাশা করে। ফলে অনেক সময় মন খারাপ হয়। চাচা তাকে বলে, “মন খারাপ করাে না, এসএসসি পরীক্ষায় ভালাে ফলাফল করে তুমি সবাইকে দেখিয়ে দাও যে তুমিও পার।”

 

ক. সুভার মা সুভার প্রতি বিরক্ত ছিলেন কেন?
খ. সুভা মনে মনে বিধাতার কাছে অলৌকিক ক্ষমতা প্রার্থনা করত কেন? ব্যাখ্যা কর।
গ. উদ্দীপকের রেজার সাথে ‘সুভা’ গল্পের সুভার সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ. সুভার বাবা-মায়ের মানসিকতা যদি রেজার চাচার মতাে হতাে তবে সুভার পরিণতি অন্য রকম হতে পারত উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

 সৃজনশীল প্রশ্ন২: দুই ছেলের পর কন্যাসন্তান শরিফের পরিবারে আনন্দের বন্যা নিয়ে এল। নাম রাখা হলো ’মায়া’। সকলের চোখের মণি মায়া বেড়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে শরিফ বুঝতে পারলেন, বয়সের তুলনায় মায়ার মানসিক বিকাশ ঘটেনি। সৃজনশীলতার বিকাশ কিছু বললে ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে থাকে। মায়ার বিয়ের কথাবার্তা চলছে। শরিফ মায়ার অবস্থা বরপক্ষকে খুলে বললেন। সব শুনে বরের বাবা জসিম শরিফকে বললেন, শরিফের মায়ার মতো আমার ছেলেও তো হতে পারত, কাজেই মায়া মাকে ঘরে নিতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই।’

ক. সুভার গ্রামের নাম কী?
খ. ‘পিতা-মাতার নীরব হৃদয়ভার’ কথাটি দ্বারা লেখক কী বোঝাতে চেয়েছেন?
গ. উদ্দীপকের প্রথম অংশের বক্তব্যে মায়া ও সুভার যে বিশেষ দিকটির সঙ্গতি দেখানো হয়েছে, তা ব্যাখ্যা কর।
ঘ. ‘মায়া ও সুভা একই পরিস্থিতির শিকার হলেও উভয়ের প্রেক্ষাপট ও পরিণতি ভিন্ন।’ বিশ্লেষণ কর।

সৃজনশীল প্রশ্ন—৩: নয়ন বেশ মেধাবী ও নম্র-ভদ্র এক কিশোর। কিন্তু তার একটি পা খোঁড়া। র্ক্যাচে ভর দিয়ে স্কুলে যায়। নয়নের বাবা রোজ স্কুলের গেটে তাকে দিয়ে আসেন আবার ছুটির সময় এসে নিয়ে যান। বাবা নয়নকে খুব ভালোবাসেন; তার সব বায়না মিটিয়ে দেন। স্কুলের শিক্ষকগণ ও ছাত্ররা তাকে সহযোগিতা করে। আবার কেউ কেউ খোঁড়া বলে বিরক্ত করে। তখন তার মন খারাপ হয়ে যায়। বাবা তাকে সান্তনা দিয়ে বলে ‘তুমি অনেক বড় হয়ে সবাইকে বুঝিয়ে দেবে জীবনে সফল হবার ক্ষেত্রে পঙ্গু হওয়াটা কোনো বাধা নয়।

ক. প্রতাপ সুভাকে কী বলে ডাকত?
খ. মা সুভাকে নিজের গর্ভের কলঙ্ক মনে করত কেন?
গ. উদ্দীপকের ভাববস্তু ‘সুভা’ গল্পের কোন দিক নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকের মাহফুজের বাবা কী গল্পের সুভার বাবার সম্পূর্ণ প্রতিনিধিত্ব করে? তোমার সপক্ষে যুক্তি দাও।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৪:  প্রমিতা ভালাে গান করে সকল পর্যায়ে বেশ সুনাম কুড়িয়েছে। তাকে নিয়ে তার পরিবারের অনেক গর্ব। হঠাৎ সড়ক দুর্ঘটনায় বাকশক্তি হারিয়ে ফেলে সে। গান গাওয়া বন্ধ হয়ে যায় প্রমিতার। একসময় যারা তার বন্ধু ছিল তাঁরা একে একে কেটে পড়ে। আজ তার পাশে | কেউ নেই। সেও ধীরে ধীরে নিজেকে গুটিয়ে নেয়, সবার থেকে চোখের আড়াল হয়ে একাকিত্বকে সঙ্গী করে দিন কাটে তার।

 

ক. প্রতাপ সুভার মর্যাদা বুঝত কেন?
খ. কাকে সুভার মা বিধাতার অভিশাপ মনে করে কেন? ব্যাখ্যা কর।
গ. উদ্দীপকের প্রমিতার নিজেকে গুটিয়ে নেয়ার মধ্য দিয়ে সুভার মানসিকতার কোন দিক প্রকাশিত হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ. প্রমিতা ও সুভার প্রতি পরিজনদের আচরণ কীরূপ হলে তাদের জীবনের পরিণতি ভিন্ন হতে পারত? যৌক্তিক মতামত দাও।
 

*পরীক্ষা দিতে কোনো রেজিস্ট্রেশন বা টাকার প্রয়োজন নেই। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

সৃজনশীল প্রশ্ন—৫: চঞ্চল স্বভাবের সাবিনা দেখতে যেমন সুন্দরী, তেমনি বুদ্ধিতে প্রখর। কিন্তু জন্ম থেকেই সে বাক-প্রতিবন্ধী। কথা না বললেও সব কথা বুঝতে পারে সে। সে যখন বাইরে আসে প্রতিবেশী ছেলে মেয়েরা তাকে বিরক্ত করে। বড়রাও আড়ালে আবডালে তাকে নিয়ে কুৎসা রটনা করে। এতে সাবিনা খুব কষ্ট পায় তাই মানুষের সামনে সে যেতে ভয় পায়। মায়ের কাছেও সে প্রশ্রয় পায় না মা বিরক্ত হয়। এভাবে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সে একটু একটু করে সবার কাছ থেকে নিজেকে আড়াল করে নেয়।

ক. কে সুভার মর্যাদা বুঝত?
খ. সুভা নিজেকে বিধাতার অভিশাপ মনে করত কেন?
গ. উদ্দীপকে গাবিনার যে সংবেদনশীলতার পরিচয় পাওয়া যায় তার প্রতিফলন ব্যাখ্যা করো।
ঘ. সুভা ও গাবিনার মত বাক-প্রতিবন্ধীদের জন্য আমাদের কী দায়িত্ব রয়েছে? বিশ্লেষণসহ মতামত দাও।

সৃজনশীল প্রশ্ন—৬: জিম চোখে দেখতে পায় না। পরিবারের অনেকে তাকে ‘কানা’ মনে করে তার প্রতি অবহেলা প্রদর্শন করে। জিম নিজেকে বড় একা মনে করে। সংসারে সে যেন একটা জীবন্ত অভিশাপ। নিজের মাও তাকে তিরস্কার, গঞ্জনা করতে ছাড়ে না। কিন্তু বাবা মাহমুদ সাহেব জিমকে খুব ভালোবাসেন। তাকে সারাক্ষণ আগলে রাখার চেষ্টা করেন। তার অনুভূতিগুলো বোঝার চেষ্টা করেন।

ক. কিশলয় শব্দের অর্থ কী?
খ. গোসাইদের ছোট ছেলেটির পরিচয় দাও।
গ. উদ্দীপকের জিম ‘সুভা’ গল্পের যে চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে, তা ব্যাখ্যা করো।
ঘ. “উদ্দীপকের মাহমুদ সাহেব ‘সুভা’ গল্পের বাণীকন্ঠেরই প্রতিরূপ”—উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ করো।

সৃজনশীল প্রশ্ন—৭: সাবিনা ও শাকিলের সুখের সংসার। ঘরে তাদের দুই পুত্র সন্তান। স্বামী-স্ত্রীর খুব শখ একটা কন্যা সন্তানের। বছর দুয়েক পর তাদের ঘরে ফর্সা ফুটফুটে এক কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। সাবিনার কী যে আনন্দ! কিন্তু দশবছর বয়সেও মেয়েটি সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারে না। সাবিনার বুঝতে বাকি থাকেনা মেয়ে প্রত্যাশা প্রতিবন্ধী। মেয়ের এ অবস্থায় সাবিনার দুশ্চিন্তার সীমা থাকে না, সে ভাবে এ তার পাপের ফসল। ভবিষ্যতে মেয়েকে পাত্রস্থ করবে কীভাবে এ ভাবনায় নানা উদ্বেগের সাথে তার দিন কাটে।


ক. ‘সুভা’ গল্পটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?
খ. সুভা নিজেকে সর্বদা গোপন রাখার চেষ্টা করত কেন?
গ. উদ্দীপকের প্রত্যাশা চরিত্রটি ‘সুভা’ গল্পের কোন চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. শারীরিক প্রতিবন্ধী সন্তানকে ঘিরে সুভার মায়ের দৃষ্টিভঙ্গি ও সাবিনার দুশ্চিন্তার বিষয়টি বর্তমান সমাজ প্রেক্ষাপটের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

সৃজনশীল প্রশ্ন ৮: মেয়েটির নাম আঁখি। চোখে না দেখলেও বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে পড়াশােনা চালিয়ে যায়। বন্ধুদের অন্যতম তিতু’ জন্মদিনের উপহার। | হিসেবে আঁখিকে একটি ঝুনঝুন বল উপহার দেয়। এই বলের সাহায্যে ক্রিকেট খেলার ছক্কা মেরে আঁখি তার দলকে বিজয় এনে দেয়।

 

ক. সুভা দুই বাহুতে কাকে ধরে রাখতে চায়?
খ. সুভা পিতামাতার মনে সর্বদাই জাগরুক ছিল কেন? বুঝিয়ে দাও।
গ. উদ্দীপকে ‘সুভা’ গল্পের যে বিশেষ দিকের প্রতিফলন ঘটেছে তা ব্যাখ্যা কর।
 
ঘ. “সুভা’ গল্পের প্রতাপ’ যদি উদ্দীপকের ‘তিতু হতাে, তাহলে সুভা’ গল্পের পরিণতি অন্য রকম হতে পারত।”- উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।

সৃজনশীল প্রশ্ন—৯: মায়ের কোল আলো করে জন্ম নেয় ফুটফুটে কন্যা সন্তান সাবিন। কিছুটা বড় হতেই দেখা গেল সাবিনা কথা বলতে পারে না। নানা অঙ্গ-ভঙ্গি ও ইশারা ইঙ্গিতে সে মনোভাব প্রকাশ করতে চায়। সবার মনের ভাষা সে বুঝতে পারে তার প্রখর অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে।সুভা গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর বাড়ির বাইরে বেরুলেই ছেলেমেয়েরা তাকে ভেংচি কাটে। সে দুর্বোধ্য চিৎকারে তাদেরকে নিবৃত্ত করতে চায়। ব্যর্থ হয়ে মায়ের কাছে এসে কান্না জুড়ে দেয়। বিরক্ত হয় মা। এভাবে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সে একটু একটু করে সবার কাছ থেকে নিজেকে আড়াল করে নেয়। বেশিরভাগ সময় দরজা বন্ধ করে বিষন্ন মনে বসে থাকে।

ক. সুভার মা সুভাকে কীসের কলঙ্ক মনে করেন?
খ. সুভার বাকহীন বন্ধু দুইটির পরিচয় দাও।
গ. উদ্দীপকে গাবিনার যে সংবেদনশীলতার পরিচয় পাওয়া যায় সুভার মধ্যে তার প্রতিফলন ঘটেছে, ব্যাখ্যা করো।
ঘ. ‘শারীরিক প্রতিবন্ধকতা মানবিক অনুভূতির অন্তরায় নয়’—উদ্দীপক ও ‘সুভা’ গল্পের আলোকে উক্তিটি মূল্যায়ন করো।

সৃজনশীল প্রশ্ন—১০: জবা শুধু বোবা নয়, ঈষৎ কালাও। অনেক চেঁচিয়ে বললে তবে শুনতে পায়। সব কথা শোনার দরকারও হয় না তার। নাড়া আর মুখের ভাব দেখেই সব বুঝতে পারে। এ ছাড়া তার আর একটি ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় আছে যার সাহায্যে সে এমন সব জিনিস বুঝতে পারে, এমন সব জিনিস মনে মনে সৃষ্টি করে, সাধারণ বুদ্ধিতে যার মানে হয় না। জবার জগৎ চোখের জগৎ, দৃষ্টির ভিতর দিয়েই সৃষ্টিকে গ্রহণ করেছে সে। শুধু গ্রহণ করে নি, নতুন রূপে নতুন রং আরোপ করেছে তাতে।

ক. সুভার পুরো নাম কী?
খ. সুভার মুখে ভাষা না থাকলেও ভাবের স্ফুরণ ঘটেছে কীভাবে? বুঝিয়ে লেখো।
গ. উদ্দীপকের জবার নিজস্ব জগৎটির সঙ্গে ভাষাহীন সুভার নিভৃত জগতের সম্পর্ক ব্যাখ্যা করো।
ঘ. ‘মুখের ভাব বৈ আজন্মকাল যাহার অন্য ভাষা নেই তাহার চোখের ভাষা অসীম উদার এবং অতলস্পর্শ গভীর’-সুভার পর্যবেক্ষণ উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

সৃজনশীল প্রশ্ন—১১: জুঁই ফুটফুটে এক শিশু, কিন্তু জন্ম থেকেই সে বাকপ্রতিবন্ধী। কথা না বললেও সব বুঝতে পারে সে। জুইয়ের অন্তর্দৃষ্টি খুবই প্রখর। সে যখন বাড়ির বাইরে আসে প্রতিবেশী ছেলেমেয়েরা তাকে বিরক্ত করে। জুঁই এ্যা এ্যা বলে চিৎকার করে। সবাই এতে আরও মজা পায়। বড়রাও তাকে এভাবে বিরক্ত করে। জুঁই এতে খুব কষ্ট পায়; মানুষের সামনে যেতে ভয় পায়। সে অন্য শিশুদের মতো বাঁচতে চায়, কিন্তু প্রতিবন্ধিতার কারণে তা পারে না।

ক. সুভার গাভী দুইটির নাম কি ছিল?
খ. সুভাকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলো কেন?
গ. উদ্দীপকের জুঁই ‘সুভা’ গল্পের কোন চরিত্রের প্রতিনিধি? ব্যাখ্যা করো।
ঘ সুভা ও জুঁইয়ের মতো সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য আমাদের কী দায়িত্ব রয়েছে? বিশ্লেষণী মতামত দাও।

সৃজনশীল প্রশ্ন—১২: সীমা পাল অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। জন্ম থেকেই সে অন্ধ। মায়ের ইচ্ছে মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার, প্রতিবেশীরা নিন্দা করছে বিয়ে না দেওয়ায়। কিন্তু সীমার বাবা নিতাই এ কথা সহ্যই করতে পারে না। তার ইচ্ছে মেয়েকে অনেকদূর পর্যন্ত পড়াবে। পাড়াপ্রতিবেশীদের নিন্দা অপবাদের তোয়াক্কা সে করে না। সে জানে এটা মেয়েদের বিয়ের বয়স নয়। সে মনে মনে ভাবে তার অন্ধ মেয়েই একদিন জগৎ আলো করবে।

ক. কোন কাব্যের জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোবেল পুরস্কার পান?
খ. মেয়েকে সান্ত¡না দিতে গিয়ে বাণীকন্ঠের কপোলে অশ্রু গড়িয়ে পড়ল কেন?
গ. উদ্দীপকের নিতাইয়ের সঙ্গে ‘সুভা’ গল্পের বাণীকণ্ঠের কী ধরনের পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. ‘বাণীকণ্ঠ যদি নিতাই এর মতো মনোভাব পোষণ করত তবে সুভার পরিণতি অন্যরকম হত।’- উক্তিটির যথার্থতা যাচাই করো।

সৃজনশীল প্রশ্ন—১৩: অভাবের সংসার ধলা মিয়ার। সব কিছু হারিয়ে এখন একটি গাভীই তার শেষ সম্বল। সংসারের চাহিদা মেটাতে তিনি তার গাভীকে বিক্রির জন্য গোয়ালঘরে যান। তিনি দেখতে পান দশ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী মেয়ে লতা গাভীর গলা জড়িয়ে ধরে অ্যাঁ অ্যাঁ করে কী যেন বলছে। ধলা মিয়া এ দৃশ্য দেখে অবাক হন এবং তাদের ভাষা বুঝতে পারেন। তাই তিনি গাভীকে বিক্রি না করার সিদ্ধান্ত নেন।

ক. সুভার বাবাকে সবাই কী নামে ডাকতে?
খ. সুভা কলকাতার যেতে চায় না কেন?
গ. উদ্দীপকের লতার সঙ্গে ‘সুভা’ গল্পের সুভার সাদৃশ্য নির্ণয় করো।
ঘ. ‘উদ্দীপকের মূলভাব ‘সুভা’ গল্পের সমগ্র ভাবকে ধারণ করে না’
উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।

সৃজনশীল প্রশ্ন ১৪: মেঘনার তীরবর্তী গ্রামে বেড়ে ওঠা দুরন্ত কিশাের জুনায়েদ দশম শ্রেণির ছাত্র। ক্লাসে সবচেয়ে প্রাণবন্ত ও অসম সাহসী এ, কিশাের। সবকিছুতে তার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ। খেলাধুলা, বন্ধুদের সাথে দুষ্টুমি কোনাে কিছুতে সে পিছিয়ে নেই। হঠাৎ একদিন সড়ক দুর্ঘটনায় সে তার একটি পা হারায়। এতে সে মানসিকভাবে পুরােপুরি ভেঙে পড়ে। পড়ালেখায় মন দিতে পারছে না। তার সর্বদা মনে হতে লাগল এখন আর পড়ালেখা করে কী লাভ হবে? কিন্তু তার সহপাঠীরা তাকে উৎসাহ ও সাহস দিয়ে আবার প্রাণচঞল করে তােলে। সে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়। সকলে তার সফলতায় খুশি হয়।

 

ক. সুভা কার কাছে মুক্তির আনন্দ পায়?
খ. সুভাকে কে খুব ভালোবাসতো?
গ. উদ্দীপকের জুনায়েদের মানসিকভাবে ভেঙে পড়ার দিকটি ‘সুভা’ গল্পের সুজার সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।
ঘ. উদ্দীপকের সহপাঠীদের মতো মানসিকতা থাকলে সুভা’ গল্পের সুভার পরিবারকে বিড়ম্বনার শিকার হতে হতাে-নামন্তব্যটির যথার্থতা বিশ্লেষণ কর।

 

সৃজনশীল প্রশ্ন ১৫: “অন্ধত্বকে জয় করেছে।
                          কুসুমপুরের কলি।”

দৈনিক প্রতিভা জন্মান্ধ হলেও কুসুমপুরের কলি আজ সঙ্গীত জগতে এক উজ্জ্বল তারকা। আর তা সম্ভব হয়েছে তার মার কারণে। অন্ধত্বের বিষয়টি জানার পরও তিনি হতাশ হননি বরং অন্য যেকোনাে সন্তানের চেয়ে কলি আরাে বড় হবে এই প্রত্যয়ে তাকে লেখাপড়া ও গান শেখাতে শুরু করেন; তার চেষ্টা আজ সফল হয়েছে। তিনি কলির জন্য আজ গর্বিত মা।

ক. সুভার মানুষ বন্ধুটির নাম কী?
খ. সুভা’ গল্পে ‘গ্রামলক্ষ্মী স্রোতস্বিনী’ কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
গ. উদ্দীপকের বক্তব্যে ‘সুভা’ গল্পের যে বৈপরীত্য লক্ষণীয় তা ব্যাখ্যা কর।
ঘ. উপযুক্ত পরিবেশ ও পরিচর্যা পেলে সুভাও কলির মতাে হয়ে উঠত- বিশ্লেষণ কর।

*পরীক্ষা দিতে কোনো রেজিস্ট্রেশন বা টাকার প্রয়োজন নেই। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

 

 

সৃজনশীল প্রশ্ন -১৬:  জাবিদ, জহির ও খালিদ তিন বন্ধু একই স্কুলে একই শ্রেণিতে পড়ে এবং একসাথে স্কুলে যায়। জাবিদের মাঝেমধ্যে হেঁটে বিদ্যালয়ে যেতে কষ্ট হয়। পা অবশ হয়ে আসে। পথ চলতে গিয়ে কখনাে কখনাে বসে পড়ে সে। জহির ও খালিদ তাকে সঙ্গ দেয়। এতে তাদের মাঝেমধ্যে স্কুলে পৌছাতে দেরি হয়ে যায়। জাবিদের মায়ের কাছ থেকে জানা যায়, ছােটবেলায় তার ভীষণ অসুখ হওয়ার পর থেকে তার | এ সমস্যাটি দেখা দেয়। বিষয়টি জানতে পেরে জামিল স্যার জাবিদকে সহযােগিতার জন্য খালিদ ও জহিরকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

 

ক. তরুচ্ছায়া অর্থ কী?
খ. তুমি আমাকে যাইতে দিয়াে না, মা’- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।
গ. উদ্দীপকের জাবিদ আর সুভা’ গল্পের সুভার মিল কোথায়? বর্ণনা দাও। 
ঘ. উদ্দীপকের জামিল স্যার ও জাবিদের বন্ধুদের ভূমিকা ‘সুভা’ গল্পের লেখকের আকাক্ষারই প্রতিফলন বিশ্লেষণ কর।

 


সৃজনশীল প্রশ্ন -১৭: সদীপ্ত ও তনয়ার একমাত্র সন্তান মৌনতা। নিটোল চোখের শান্ত মৌনতা কথা বলতে পারে না। তার প্রতি মাঝে মাঝে মায়ের বিরুপ আচরণ মনে খুব দুঃখ দেয়, কিন্তু বাবার আদর ও ভালােবাসায় সে সব দুঃখ ভুলে যায়। সুদীপ্ত কখনােই মেয়েকে বােঝা মনে করেন না বরং তার কাছে মৌনতা সৃষ্টিকর্তার এক বিশেষ উদাহরণস্বরূপ। তাই, মৌনতার সব না বলা ভাষার চাহনি তার কাছে এক গল্পগাথা।

 

ক.  ‘সুভা’ গল্পে কাকে অকর্মণ্য বলা হয়েছে?
খ. বাক্যহীন মনুষ্যের মধ্যে বৃহৎ প্রকৃতির মতো একটা বিজন মহত্ত্ব আছে।”- সুভা’ গল্পের লেখকের এই উক্তিটি ব্যাখ্যা কর
গ. উদ্দীপকের সুদীপ্ত চরিত্রটি ‘সুভা’ গল্পের কোন চরিত্রকে প্রতিফলিত করে? ব্যাখ্যা কর। |
ঘ. উদ্দীপকের মৌনতার বাবা সুভা’ গল্পের সুভার বাবারই প্রতিচ্ছবি।”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

 

সৃজনশীল প্রশ্ন -১৮: পারমিতা জন্মান্ধ। খেলার সাথি না জুটলেও সে নিঃসঙ্গ নয়। বিকেল বেলায় সে বাড়ির দিঘির শান বাঁধানাে ঘাটে গিয়ে বসে। স্নিগ্ধ শীতল জলের সঙ্গে তার দরদ ভরা আলাপ চলে। এ সবের মাঝে সে মুক্তির আনন্দ খুঁজে পায়। পরবর্তীতে পারমিতাকে পাত্রস্থ করার। জন্য তার পিতা-মাতাকে বেশি ভাবতে হয়নি। প্রতিবেশী আলম সাহেব পারমিতাকে তার পুত্রবধূ হিসেবে বরণ করে নেয়।


ক. প্রতাপের প্রধান শখ কী?
খ. সুভার সমস্ত হৃদয় অশুবাম্পে ভরে গেল কেন? বুঝিয়ে গেল।
গ. উদ্দীপকের পারমিতার মুক্তির আনন্দের সাথে সুভার চরিত্রের যে দিকের মিল রয়েছে তা ব্যাখ্যা কর।
ঘ. উদ্দীপকের পারমিতার জীবনের পরিণতির বিপরীত চিত্র সুভার জীবনে মর্মবেদনার কারণ ।”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

 

সৃজনশীল প্রশ্ন -১৯:  রিয়ার বয়স সতেরাে পেরিয়ে আঠারােয় পড়েছে। ওর সমবয়সী অনেকেই বিয়ে-থা করে রীতিমতাে সংসারী। কিন্তু রিয়ার জন্ম থেকেই হাত দুটো অসাড় হওয়ায় অন্যদের মতাে তার সংসার করা হয়নি। রিয়ার বিধবা মা সেলিনা বেগম এতে বিচলিত নন। ছােট ছেলে পনেরাে বছরের রাতুলের চেয়ে কোনাে অংশে রিয়ার আদর-যত্ন তিনি কম করেন না। পাড়ার দু’একজন অবশ্য রিয়ার বিকাশের পথে জিন-ভূতের আছরকে দায়ী করে। কিন্তু ওসবকে পাত্তা দেন না সেলিনা বেগম।

 

ক. সুভা জলকুমারী হলে কী করত?
খ. গল্পে কাকে কেন সরকারি সম্পদের সাথে তুলনা করা হয়েছে?
গ. উদ্দীপকের সেলিনা বেগম এবং সুভা’ গল্পের সুভার মায়ের বৈসাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
ঘ. উদ্দীপকের রিয়া কি সুভা’ গল্পের সুভা? তােমার উত্তরের পক্ষে যুক্তি দেখাও।

 

সৃজনশীল প্রশ্ন -২০:  জাহেদী সাহেব প্রতিবন্ধীদের জন্য মুসা মিয়া প্রতিবন্ধী স্কুল ও তাদের কর্মসংস্থানের জন্য কিংশুক সেবামূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তােলেন। সংগঠনটি প্রতিবন্ধীদের অধিকার রক্ষায় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় জনমত গঠন করে। তিনি মনে করেন প্রতিবন্ধীরা সমাজের বােঝা | নয় বরং সম্পদ।

 

ক. প্রকৃতি সুভার কিসের অভাব পূরণ করে দেয়?
খ. সুভার বাবা কোথায় গিয়েছিল কেন?
গ. উদ্দীপকের জাহেদী সাহেব সুভা’ গল্পের কোন দিকটি উন্মােচন করেছেন তা ব্যাখ্যা কর।
ঘ. প্রতিবন্ধীরা সমাজের বােঝা নয় বরং সম্পদ’- উক্তিটি উদ্দীপক ও গল্পের আলােকে ব্যাখ্যা কর।

 

সৃজনশীল প্রশ্ন -২১: দুই পা আছে কিন্তু উঠে দাঁড়াবার শক্তি নেই। তাতে কী? আত্মবিশ্বাস তাে আছে। তাই তাে জীবনযুদ্ধে দমে যাননি আলমগীর হােসেন। | ছােটবেলায় টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেন তিনি। তারপর থেকে হাঁটা-চলা ও কাজকর্ম করার কথা কখনাে চিন্তা করতে পারেননি আলমগীর। কিন্তু শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী হলেও জীবিকার তাগিদে রিকশাকে বেছে নিয়েছেন হাতিয়ার হিসেবে।

 

ক. সুভা মনে মনে কাকে ভালোবসতো?
খ. “তাহার মর্ম তাহারা ভাষার অপেক্ষা সহজে বুঝিত” কথাটি দ্বারা কী বােঝানাে হয়েছে?
গ. উদ্দীপকের আলমগীর হােসেনের সাথে সুভা’ গল্পের সুভার সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা কর।
ঘ. উদ্দীপকের আলমগীর হােসেনের পরিস্থিতি ও পরিণতি সুভার পরিণতি থেকে ভিন্ন।”- মতামত দাও।

 

সৃজনশীল প্রশ্ন -২২: বিদ্যুতের কাজ করতে গিয়ে বেশ উপর থেকে পড়ে যান শিমুল। অনেক চেষ্টার পরও তার দুটি হাত কেটে ফেলা হয়। রােজগেরে শিমুল পরিবারের বােঝা হয়ে ওঠে। সকলের অবহেলা, বনায় তার জীবন হয়ে ওঠে মৃত্যুর শামিল। দুপায়ের সাহায্যে কাজ করার চেষ্টায় শুরু। হয় তার কঠোর সংগ্রাম। অবলম্বন হিসেবে বেছে নেয় রং ও তুলি। আর বিষয় হয় প্রকৃতি। সাদা ইজেলে রং-তুলির সাহায্যে প্রকৃতিকে বিভিন্নভাবে ফুটিয়ে তােলার মাধ্যমেই খুঁজে পায় জীবনের অর্থ ও সুখ। ছবির প্রকৃতিই হয়ে ওঠে শিমুলের আনন্দের নিরাপদ আশ্রয়।

 

ক. সুভাদের গ্রামের নাম কী?
খ. সুভা’ গল্পে “চিরনিস্তব্দ হৃদয়-উপকূল” বলতে কী বােঝানাে হয়েছে?
গ. উদ্দীপক ও ‘সুভা’ গল্পের মধ্যে সাদৃশ্য নির্ণয় কর। ঘ. প্রদত্ত উদ্দীপক সুভা’ গল্পের বিষয়কে পুরােপুরি ধারণ করে কি? যুক্তিসহ ব্যাখ্যা কর।

 

সৃজনশীল প্রশ্ন -২৩:  মা-মরা মেয়ে মিনু। বাবা জন্মের আগেই মারা গেছে। সে মানুষ হচ্ছে এক দূরসম্পর্কের পিসিমার বাড়িতে। বয়স মাত্র দশ, কিন্তু এই বয়সেই সবরকম কাজ করতে পারে সে। সবরকম কাজই করতে হয়। লােকে অবশ্য বলে যােগেন বসাক মহৎ লােক বলেই অনাথা বােবা মেয়েটাকে আশ্রয় দিয়েছেন। মহৎ হয়ে সুবিধাই হয়েছে যােগেন বসাকের। পেটতায় এমন সর্বগুণান্বিতা চব্বিশ ঘন্টার চাকরানী পাওয়া শক্ত হতাে তার পক্ষে।

 

ক. সুভার কয়টি বোন ছিল?
খ. “কিন্তু তাহার পদশব্দ তাহারা চিনিত”- বাক্যটির প্রাসঙ্গিকতা ব্যাখ্যা কর।
গ. উদ্দীপকের মিনু সুভা’ গল্পের কোন চরিত্রকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর। |
ঘ. “উদ্দীপকের মিনুর জীবন-জগৎ ও সুভা’ গল্পের সুভার জীবন-জগৎ পুরােপুরি এন নয়।” মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

 

সৃজনশীল প্রশ্ন -২৪: রিপের এই আড্ডাবাজ মনােভাব গ্রামের অলস বন্ধুরা মেনে নিলেও তার স্ত্রী কিন্তু মেনে নিল না। নিজের কোনাে দোষ খুঁজে পায় না রিপ। দোষের মধ্যে শুধু সে কখনাে বিশেষ কাজ করত না। পরিশ্রম বা অধ্যবসায়ের ভয়ে কিন্তু সে অমন করত না। কারণ প্রায়ই সে এক টুকরাে ভিজে পাথরের উপর বসে থাকত। হাতে থাকত ইয়া বড় এক লাঠি। শান্তশিষ্টভাবে বসে বসে সে মাছ ধরত। কিন্তু ভুলেও কোনাে মাছ তার বড়শিতে ধরা পড়ত না। সে একটা ফাঁদ কাঁধে করে উঁচু পাহাড় আর বনবাদাড়ে ঘুরে বেড়াত কাঠবিড়ালি আর বুনাে কবুতর ধরার জন্য। পাড়াপড়শির সবচেয়ে কঠিন কাজটাও সে করে দিত। পেঁকিতে ধান ভানতে অথবা পাথরের প্রাচীর গড়তেও সে তাদের সাহায্য করত। এককথায় রিপভ্যান উইংকল অন্যের উপকার করে দেওয়ার জন্য সবসময় রাজি থাকত।

 

ক. সুভাকে কে ‘সু’ বলে ডাকত?
খ. “মাছ ধরার সময় বাক্যহীন সঙ্গীই সর্বাপেক্ষা শ্রেষ্ঠ”- ব্যাখ্যা কর।
গ. উদ্দীপকের রিপভ্যান উইংকল ‘সুভা’ গল্পের কোন চরিত্রকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ.“আংশিক মিল থাকলেও উদ্দীপকটি ‘সুভা’ গল্পের বিষয়বস্তুকে ধারণ করে না”- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

 

সৃজনশীল প্রশ্ন -২৫: তিন্নি সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে ঝাপসা চোখে তপুকে আদর করতে গেল। তপু আনন্দে ডুবে আছে। সে আদরের কোনাে মূল্যই দিল। বরং সে বলল, তুমি গাড়িতে গিয়ে বসাে। আমি ঠেলা দেই। তিন্নি বরের সাথে গাড়িতে গিয়ে বসল। তপু তার সমবয়সী কয়জনকে নিয়ে মনের আনন্দে গাড়ি ঠেলছে আর সুর করে বলছে- হেঁইয়ো রে হেঁইয়ো, আপু যায় হেঁইয়ো, গাড়ি যায় হেঁইয়ো। তপু গাড়িটা ঠেলতে ঠেলতে কতটুকু গেল। তারপর গাড়িটা তপুর হাতছাড়া হয়ে গেল। তপু গাড়ির সাথে দৌড়ে আর কুলােতে পারছে না। সে হাতছাড়া চলন্ত গাড়ির দিকে তাকিয়ে দু’হাতের আঙুল চিমটাচ্ছে। এ আর খেলা নয়- বিদায়!

 

ক. সুভার আর দু্টি বোনের নাম কী?
খ. কেন বাণীকণ্ঠকে লোকে নিন্দা করতে শুরু করে?
গ. উদ্দীপকে ‘সুভা’ গল্পের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ.“উদ্দীপকে প্রতিফলিত বিষয়টি ‘সুভা’ গল্পের সামগ্রিক বিষয়কে ধারণ করে না।”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

 

সৃজনশীল প্রশ্ন -২৬:  প্রতিবন্ধীরা জীবনের স্বতঃস্ফূর্ত ধারায় অন্যদের মতো সমতালে পা মিলিয়ে এগিয়ে যেতে পারে না। কিন্তু যথাযথ মনোযোগ, সহযােগিতা। ও সুযােগ পেলে তারাও দুঃখের অন্ধকার ছেড়ে স্বনির্ভর এক আলােচিত জীবনের অধিকারী হতে পারে, এমনকি হয়ে উঠতে পারে বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিত্ব। অন্ধত্বকে অস্বীকার করে যেমন পেয়েছেন ইলিয়াড ওডেসি রচয়িতা মহাকবি হােমার কিংবা বিটোফেন, যিনি নিজের বধিরতা সত্ত্বেও সৃষ্টি করেছেন অপূর্ব সব সুর।

 

ক. মানসী’ কাব্যগ্রন্থটি কার লেখা?
খ. বাণীকণ্ঠের বিদেশে যাওয়ার কারণ কী? বুঝিয়ে লেখ।
গ. উদ্দীপকের বিটোফেনের সঙ্গে ‘সুভা’ গল্পের কোন চরিত্রের মিল পাওয়া যায়? ব্যখ্যা কর।
ঘ. উদ্দীপকটি গল্পের একটি চরিত্রের কথা স্মরণ করিয়ে দিলেও সমগ্র ভাব প্রকাশ করে না।”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

সৃজনশীল প্রশ্ন -২৭ : অতি সাধারণ এক কিশাের লখা। কথা বলতে পারে না সে। কিন্তু তাতে কীই-বা আসে যায়। লখা উঁচু ডালে উঠে লাল ফুল সংগ্রহ করে শহিদ মিনারে যায় শ্রদ্ধা নিবেদন করতে। কথা বলতে না পারলেও তার মুখ দিয়ে আঁ আঁ আঁ আঁ ধ্বনির মধ্য দিয়েই বেরিয়ে আসে বাঙালির গর্বের উচ্চারণ।

 

ক. সর্বশী ও পাগুলি কার নাম?
খ. প্রতাপের দ্বারা সংসারের উন্নতির আশা বাবা-মা ত্যাগ করেছিলেন কেন?
গ. উদ্দীপকের লখা ‘সুভা’ গল্পের কোন চরিত্রের প্রতিচ্ছবি? ব্যাখ্যা কর।
ঘ. উদ্দীপকটি ‘সুভা’ গল্পের একটি চরিত্রকে প্রতীকায়িত করেছে মাত্র, গল্পের সম্পূর্ণ ভাব ধারণ করতে পারেনি।”- মূল্যায়ন কর।

 

*পরীক্ষা দিতে কোনো রেজিস্ট্রেশন বা টাকার প্রয়োজন নেই। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

মন্তব্যসমূহ